তাহলে কি মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিয়ে সংশয়ে বিপ্লব কুমার দেব?

Share:

 গতকাল মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব বলেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রী থাকুক বা না থাকুক, নরেন্দ্র মোদির বিজিপি সরকার থাকবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্য আবারো আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে ত্রিপুরায়। নিন্দুকরা মনে করছেন, মুখ্যমন্ত্রীর নিজেও বুঝে গেছেন উনি  আর অল্প কয়দিনের,তাই এমন বলেছেন।


ত্রিপুরা রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি খুবই টালমাটাল।গত কিছুদিন ধরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া দাবি করে আসছে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী বিরোধী কিছু এমএলএ দিল্লিতে জামায়াত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় কমিটিকে অভিযোগ জানাতে।

Sudip-roy-barman-latest-news

কেন্দ্রীয় কমিটি যদি এইসব শুনে তৎপরতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেয়, তবে মুখ্যমন্ত্রীর পদ হারাতে পারেন শ্রী বিপ্লব কুমার দেব। তারপর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হবেন জিষ্ণু দেববর্মা, মন্ত্রিত্ব ফিরে পেতে পারেন সুদীপ রায় বর্মন।

১৯৮৮ সালের ত্রিপুরা রাজ্য রাজনীতির ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হতে পারে আবারো। সে বছরেও সমীর রঞ্জন বর্মন এর এমনই একটি চালে মুখ্যমন্ত্রীর পদ হারিয়ে ছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী। তার সুফল ভোগ করেছে বামফ্রন্ট সরকার। ১৯৯৩ সাল থেকে টানা ২৫ বছর ত্রিপুরা রাজ্য ধরে রেখেছিল বামফ্রন্ট।

ত্রিপুরা স্থানীয় টিভি চ্যানেল মৃণালিনী কি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিধায়ক রামপ্রসাদ পাল জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত কারণে বিধায়করা দিল্লিতে অবস্থান করছেন। আর কেউ যদি দলের ক্ষতি করে সেই ক্ষেত্রে একজন পৃষ্ঠা প্রমুখের অধিকার আছে তা রাজ্য কমিটির নজরে নিয়ে আসার। একই ভাবে  রাজ্য কমিটির কেউ দলের ক্ষতি করলে তার কেন্দ্রীয় কমিটির নজরে নিয়ে আসার।শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে তাদের দেখা হয। 

বিধায়কদের দিল্লি যাওয়ার রাজনৈতিক কোনো পরিবর্তন হবে না। যদি কোন অভিযোগের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় কমিটির মনে হয়, সংগঠনের পরিবর্তন আনা দরকার, তাহলে সেটা কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত থাকে। তাই বিজেপি আজকে এত বড় একটা পার্টি।


এ ব্যাপারে হেডলাইনস ত্রিপুরা কি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ত্রিপুরা রাজ্যের বিজেপি সভাপতি ডক্টর মানিক সাহা বলেন, এ বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে, পত্রপত্রিকায় বিভিন্ন লেখালেখি উনিও দেখছেন। এ সমস্ত এম এল এ দের সঙ্গে  কথা বলবেন, এবং দলের সংবিধান মেনেই উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে। 


গতকাল আগরতলায় বিজেপির যুব মোর্চা এক বিশাল রেলি আয়োজন করে।সেখান থেকে এসব গুষ্টি বাজ নেতাদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলে এবং মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব এর প্রতি পূর্ণ সমর্থন দেখানো হয়।

তবে শ্রীদেবের শুভাকাঙ্খীরা এটাকে দলের প্রতি তার ভালোবাসা এবং নরেন্দ্র মোদির প্রতি তার আস্থা প্রকাশ বলে মনে করছেন।

কোন মন্তব্য নেই

Please share your opinion

_M=1CODE.txt Displaying _M=1CODE.txt.