মুম্বাইয়ে যৌনাঙ্গে বাঁশ ঢুকিয়ে শাশুড়িকে হত্যা করল জামাই।

Share:
দিব্যেন্দু গোস্বামী: মুম্বাইয়ের সাকিনাকার এলাকার দগদগে ঘা এখনো শুকায়নি। গত কয়েকদিন আগে রাস্তার ধারে একটি টেম্পর মধ্যে 34 বছর বয়সী এক মহিলাকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। পরে পুলিশ জানতে পারে ওই মহিলাকে ধর্ষণ করে যৌনাঙ্গে লোহার রড ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় ওই মহিলা প্রায় 40 মিনিট পড়ে থাকে। যার ফলে রক্তক্ষরণ হয়। এরপর পুলিশ ওই মহিলাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে 36 ঘন্টা লড়াই করার পর অবশেষে মারা যান ওই 34 বছরের মহিলা। 

মুম্বাইয়ের মত শহরে এই ধরনের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল সারাদেশকে। প্রগতিশীল মানুষের ধারণা মুম্বাই মহিলাদের জন্য বিশ্বের অন্যতম সুরক্ষিত শহর বলে পরিচিত। বর্তমানে এখানে শিবসেনা সরকার চালাচ্ছে। এরপরও সম্প্রতি এই ধরনের ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে সারাবিশ্বে। মহারাষ্ট্রে এই ধরনের ঘটনা ঘটায় স্বভাবতই প্রশ্ন তুলেছে সাধারণ মানুষ। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারো মুম্বাইয়ে এক পৌঢ়ার যৌনাঙ্গে বাঁশ ঢুকিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল জামাইয়ের বিরুদ্ধে। 

সংবাদ সূত্র থেকে জানা যায় যে এই নৃশংস অত্যাচার বেশিক্ষণ সহ্য করতে না পেরে ওই মহিলা মৃত্যুবরণ করেন। মুম্বাইয়ে ভিলেপার্ল এলাকায় এই ধরনের ঘটনায় অসস্থিতে শিবসেনা প্রশাসন। ঘটনায় জানা যায় না, গত কয়েক মাস ধরেই ওই পৌঢ়ার জামাই, ছিনতাইয়ের অভিযোগে সংশোধনাগারে ছিল। সেখান থেকে বেরিয়ে পয়লা সেপ্টেম্বর এই কাণ্ড ঘটিয়েছে শ্বশুর বাড়িতে এসে। সে জানতে পারে তার স্ত্রী অন্য এক যুবককে বিয়ে করে নতুন সংসার পেতেছেন। শুধু তাই নয় তিনি বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা।এরপর তার স্ত্রীকে বলেন যুবককে ছেড়ে দিয়ে আবার নতুন করে সংসার শুরু করার জন্য। কিন্তু মহিলা রাজি না হওয়ায় সমস্ত দোষ তার মায়ের ঘাড়ে পড়ে। 

রাগ বসত সে শ্বশুরবাড়ি তে উপস্থিত হয় এবং শাশুড়ির সঙ্গে শুরু হয় বাকবিতন্ডা। তারপরই শাশুড়িকে ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে ওই জামাই। এমনকি তার যৌনাঙ্গে বাঁশ ঢুকিয়ে অত্যাচার চালায়। যার ফলে এই মৃত্যু হয় ওই শাশুড়ির। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সাহায্যে ওই শাশুড়ি অর্থাৎ পৌঢ়াকে ভর্তি করা হয় স্থানীয় হাসপাতালে এবং সেখানেই চিকিৎসকরা জানান মৃত্যু হয়েছে ওই পৌঢ়ার। 

পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দাদের বয়ান অনুসারে পুনরায় গ্রেপ্তার করে ওই জামাইকে। তার বিরুদ্ধে 377 ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে, দায়ের করা হয়েছে খুনের মামলা ও।পুলিশ পুনরায় গ্রেপ্তার করেছে ওই জামাইকে। এরপর পুলিশ জামাইকে গ্রেপ্তার করে আদালতে তুললে বিচারক তাকে 14 ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এক সপ্তাহের মধ্যে মুম্বাই শহরের মধ্যে এই ধরনের দু-দুটি ধর্ষণের ঘটনায় স্বভাবতই একপ্রকার কোণঠাসা শিবসেনা সরকার। যদিও শিবসেনার তরফ থেকে জানানো হয়েছে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে তারা এই ধরনের ঘটনায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। ভবিষ্যতে যেন মুম্বাই এই ধরনের ঘটনায় কালিমালিপ্ত না হয়।


কোন মন্তব্য নেই

Please dont enter any spam link in the comment box.

_M=1CODE.txt Displaying _M=1CODE.txt.