অবশেষে তালিবানিদের বিরুদ্ধে সরব হল রাষ্ট্রপুঞ্জ।

Share:
দিব্যেন্দু গোস্বামী: অবশেষে মুখ খুলল রাষ্ট্রপুঞ্জ। আফগানিস্তান দখল নেওয়ার পর তালিবানরা যেভাবে মানুষের কন্ঠ রোধ করতে উঠে পড়ে লেগেছে তাতে আতঙ্কিত তালিবান বাসীরা। তারা প্রতিবাদ করতে ভুলে যাচ্ছে। কারণ একটাই প্রতিবাদ করলেই তাদের ওপর নেমে আসছে বিপদের খারা। তাই তারা একপ্রকার প্রতিবাদ বন্ধ করে দিয়েছে। যখন তালিবান  কাবুল দখল করে তখন প্রতিবাদে সামিল হয়েছিল মহিলা এবং পুরুষ উভয় তালিবানি প্রকৃত দেশ প্রেমিকরা। কিন্তু পরবর্তীকালে তালিবানদের হাতে তাদের হতে হয় লাঞ্ছিত এবং অমানুষিক অত্যাচারের সীকার। তাই মহিলারাও যে আন্দোলনে নেমেছিল সেই আন্দোলন এখন এক প্রকার স্তব্ধ। 

যারা তালেবানের বিরুদ্ধে কথা বলবে তাদের বিরুদ্ধেই নেমে আসছে গুলির ঝাঁক। অন্যদিকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যারা কথা বলে তাদের কেউ গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে। কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের কেউ । তাদেরকেও মারধর শুরু করেছে তালেবানরা। যাতে সত্তিকারের তালিবানি শাসন বিশ্বের কাছে পৌঁছাতে না পারে। অন্যদিকে অনেক সাংবাদিকে তারা আটক করে রেখেছে । এমনকি বন্দুকের নল ঠেকিয়ে ভুল খবর পরিবেশন করতে বাধ্য করছে।এই ঘটনা তীব্র নিন্দা করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জ। 

শান্তিপূর্ণ মিছিলের ওপর তালিবানি অত্যাচারের যে ঘটনা ঘটে চলেছে প্রতিনিয়ত তা অত্যন্ত ক্ষতিকারক বলে দাবি করেছেন তাঁরা। রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কাউন্সিলের হাইকমিশনার রবিনা সামদানী এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন গত চার সপ্তাহ ধরে আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশে যেভাবে শান্তিপূর্ণ মিছিলের ওপর তালিবানরা বল প্রয়োগ করছে এবং প্রতিবাদ করলে গুলি চালাচ্ছে তা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। রবিনা আরো বলেন যে সমস্ত মহিলারা শিক্ষা এবং কাজের অধিকারের দাবি তোলেন তাদের মন্তব্য তালিবানদের শোনা উচিত। কিন্তু সেই তালিবান রয়ে গিয়েছে তালিবানিতেই। অর্থাৎ তারা মহিলা বা বিক্ষুব্ধ তালিবানদের কথা শুনতে চাইছে না । এমনকি কাবুলের পরিস্থিতি যাতে বিশ্বের দরবারে না আসে তার জন্য বিভিন্ন জায়গায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। এটা অত্যন্ত লজ্জাজনক এবং রাষ্ট্রপুঞ্জ এর তীব্র প্রতিবাদ করে।

কোন মন্তব্য নেই

Please dont enter any spam link in the comment box.

_M=1CODE.txt Displaying _M=1CODE.txt.