ভারতের কভিসিল্ডঃ যাচ্ছে বিভিন্ন দেশে।

Share:
    1. ভারতের ভ্যাকসিন নিয়ে চলছিল টানাপোড়েন। ভারতের কোভিসিলৃড মাধ্যমে পুরো ভ্যাকসিনেশন নেওয়া থাকলে এবার থেকে কোয়ারেন্টাইনে থাকার প্রয়োজন হবে না। ভারতীয়দের জন্য এই নিয়ম লাগু করেছে ব্রিটিশ সরকার। ১১ অক্টোবর থেকে চালু হয়েছে এই নিয়ম ভারত সহ মোট৩৭ টি দেশের ক্ষেত্রে এই নিয়ম চালু করা হয়েছে। 

      শুধু  কভিড সির্ল্ড বৃটেন অনুমোদন করেছে। এমন যে কোন ভ্যাকসিন নিলেও এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে তারা মনে করে । ভারতের রাষ্ট্রদূত এলেক্স এক টুইটার বার্তায় বলেছেন কোভিদসিল নেওয়া হলে আর তাকে বাড়ির মধ্যে বন্দী অবস্থায় থাকতে হবে না।

       মোট ৩৭ টি দেশের জন্য এই নিয়ম চালু করেছে বরিস জনসন সরকার। ভারতের পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল, ঘানা ,হংকং, পাকিস্তান, তুরস্ক, মায়ানমার এবং ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশে এই নিয়ম বলবৎ হয়েছে। এর আগে কভি শিল্ডের জোড়া ভ্যাকসিনের প্রশংসা থাকলেও সে দেশের ভারতীয়দের একাই বন্দী থাকতে হতো একটি বাড়িতে। কিন্তু পরবর্তীকালে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল, অস্ট্রেলিয়া নাগরিকদের দুটি টিকা দেওয়া থাকলে আর তাদেরকে নিবৃত্তবাশসে থাকতে হবে না। বাকি দেশগুলোর জন্য তা প্রযোজ্য নয়।

       প্রাথমিকভাবে  কবিশিল্ড কে স্বীকৃতি দেয়নি ব্রিটেন। পরেও শংসা  পত্র পাঠানো হয় ।সেদেশের কোয়ারান্টাইন বাধ্যতামূলক করে ভারত সরকার । ভারতের নয়াদিল্লি জানিয়ে দেয় টিকা নেওয়া থাকলেও ব্রিটেনের নাগরীকদের দশদিনের একটা ঘরে কাটাতে হবে। চৌঠা অক্টোবর থেকে ভারত এই নিয়ম কঠোরভাবে বাস্তবায়িত করে। 

      কূটনৈতিক মহলের ধারণা ভারতের চাপে শেষ পর্যন্ত নিজেদের অবস্থান বদল করলো ব্রিটেন। যা ভারতের কাছে জয় বলে  ধারণা সাধারণ মানুষের। অন্যদিকে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সময়ে ভারত থেকে টিকা রপ্তানি থমকে গিয়েছিল। তবে পরিস্থিতির উন্নতি হতেই ফের প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলি করোনার টিকা পাঠানোর বিষয়ে সবুজ সংকেত দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী । মায়ানমার নেপাল বাংলাদেশ ১০ লক্ষ করে কভিসিল্ড্রে পাঠাতে কেন্দ্রের অনুমতি পেল পুনের সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া । এ মাসের মধ্যেই আরো টিকা তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছে ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী সংস্থা ভারত বায়োটেক।

       বর্তমানে প্রতি মাসে তিন কোটি ভ্যাকসিন উৎপন্ন করছে  তারা ।আগামী তে প্রতি মাসে পাঁচ কোটি করে টিকা উৎপাদন করতে সক্ষম হবে বলে জানা গেছে। বর্তমান মাসে কুড়ি কোটিরও বেশি ভ্যাকসিন উৎপাদন করবে সংস্থাটি। অক্টোবরে সেই উৎপাদন বেড়ে ২২ কোটি হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি আগামী ৩১ শে ডিসেম্বরের মধ্যে তারা ৬৬ কোটি টাকার  ভ্যাকসিন উৎপাদন উৎপাদন করতে সক্ষম হবে বলে জানানো হয়েছে। সংস্থার তরফ থেকে।

      কোন মন্তব্য নেই

      Please dont enter any spam link in the comment box.

      _M=1CODE.txt Displaying _M=1CODE.txt.