কাশ্মীরে জঙ্গী কার্যকলাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় মার খাচ্ছে পর্যটন শিল্প।

Share:

এক মাসে ১১ জন সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী গুলি ।আর এই হত্যাকাণ্ডের খবরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জম্বু কাশ্মীর উপত্যকায়। জঙ্গিরা বেছে বেছে কাশ্মীর কে যাতে মানুষের আনাগোনা না করতে পারে এবং ভারতকে অশান্ত করতে তৈরি হয়েছে জঙ্গীরা। যে সমস্ত জঙ্গীরা এই কাজ করছে তারা স্থানীয় কিছু যুবক বলে জানা গিয়েছে ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তবে এর শেখর যে কোথায় তা এখনও পুলিশ প্রশাসন বুঝতে পারছে না। সেই কারণেই এই মাসে এখনো পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। 
যার মধ্যে রয়েছে সাতজন অমুসলিম সম্প্রদায়ের পাঁচজন পরিযায়ী শ্রমিক। বর্তমানে উপত্যাকার মানুষের চোখে মুখে  ভয়ের ছাপ স্পষ্ট । জঙ্গিরা হুমকিও দিয়েছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পরিযায়ী শ্রমিকরা যেন কাশ্মীর ছেড়ে চলে যায় । জঙ্গিরা যেরকম ভাবে হত্যালীলা চালাচ্ছে তাতে যেকোনো সময় বড় ধরনের কোন নাশকতা চালাতে পারে। এমনই মনে করছেন গোয়েন্দা দপ্তর।

 তাই স্বাভাবিক ভাবেই বিমানবন্দর, রেলস্টেশন, বাস স্ট্যান্ড প্রভৃতি জায়গায় তল্লাশির পরিমাণ বেড়েছে। সেনা টহলের মাত্রাও বেড়ে গিয়েছে জম্মু-কাশ্মীরে। একদিকে যখন চীন লাদাখ উপত্যাকায় যুদ্ধাস্ত্র নিয়ে মহড়া চালাচ্ছে। যা ভারতের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে কাশ্মীরের এই জঙ্গি হামলা করার জন্য মদত দিচ্ছে পাকিস্তান। একদিকে পাকিস্তান অন্যদিকে চীন এই দুই মিলিয়ে ভারত এখন গভীর সংকটের মধ্যে যাচ্ছে । জম্বু কাশ্মীরের ডিজিপি দিল বাঘ সিংহ জানান স্থানীয় বিভাজনের উদ্দেশ্যে এবং সাম্প্রদায়িক রং কার্যকর করে এমন নৃশংস হামলা চালাতে শুরু করছে জঙ্গিরা। আর এই জম্বু কাশ্মীরের এই ধরনের ঘটনায় আস্তে আস্তে কমতে আরম্ভ করছে। পর্যটকদের আসা-যাওয়া সারা  ভারতবর্ষের লোক এখানে আসেন ছুটি কাটাতে সেই কারণেই কাশ্মীর উপত্যকা পর্যটন শিল্প হিসেবে পরিচিত ।এখানকার মানুষজন এই ভাবেই জীবিকা অর্জন করে। কিন্তু বর্তমানে এইভাবে জঙ্গী কার্যকলাপ বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য তাদের আর্থিক অবস্থার অবনতি হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

কোন মন্তব্য নেই

Please dont enter any spam link in the comment box.

_M=1CODE.txt Displaying _M=1CODE.txt.